ঢাকা, ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৫: সারাদেশে চলমান ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট’ অভিযানে গতকাল শনিবার থেকে আজ দুপুর পর্যন্ত মোট ১,৩০৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে যৌথবাহিনী। বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, এই অভিযান দেশব্যাপী সহিংসতা,
নবনিযুক্ত নির্বাচন কমিশনারদের সঙ্গে বিকেল সাড়ে ৩টায় বিএনপির এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে নেতৃত্ব দেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান। বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, বৈঠকে সুষ্ঠু ও
চলমান রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক সংস্কারের অংশ হিসেবে সরকার চলতি মাসের মাঝামাঝি সময়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আনুষ্ঠানিক আলোচনায় বসতে চায়। এই তথ্য জানিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল। এক
রাজধানী ঢাকা এখন আন্দোলনের নগরীতে পরিণত হয়েছে। যেন দাবি-দাওয়া আদায়ের এক নতুন অধ্যায় শুরু হয়েছে। প্রতিদিনই বিভিন্ন ইস্যুতে রাজপথে আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ছে। সড়ক ও রেল অবরোধের পাশাপাশি প্রধান উপদেষ্টার বাসভবনও
রাজধানীর ধানমন্ডির ঐতিহাসিক ৩২ নম্বর ভবনের নিচতলার কক্ষগুলোতে সম্প্রতি এক রহস্যজনক দৃশ্য উঠে এসেছে। একটি বেসরকারি গণমাধ্যমের প্রতিবেদনের ক্যামেরায় সেখানে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের প্যান্ট, ব্যাগ ও জুতার চিত্র ধরা পড়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ‘শেখ মুজিব হল’-এর নাম পরিবর্তন করে ‘জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম হল’ করা হয়েছে। ছাত্র-জনতার গণআন্দোলনের ধারাবাহিকতায় এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। সরকারের পক্ষ থেকে
অন্তর্বর্তী সরকারের আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল সম্প্রতি মন্তব্য করেছেন যে, সরকারের অবাধ মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও ধৈর্যশীল আচরণের সুযোগ নিয়ে স্বৈরাচারী শক্তিগুলো পুনরায় সক্রিয় হয়ে মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। শনিবার রাজধানীর
কুমিল্লার সাবেক পুলিশ সুপার (এসপি) আব্দুল মান্নানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন দমনে অতিরিক্ত শক্তি প্রয়োগের অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া, সিটি টিসিতে পুলিশ সুপার
দেশব্যাপী আলোচিত বেশ কিছু অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশের চার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে আটক করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে খুন-গুম, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে অনৈতিকভাবে শক্তি প্রয়োগসহ নানা অভিযোগ ওঠে। আটক কর্মকর্তাদের
বৈষম্য বিরোধী ছাত্র জনতার আন্দোলনের মাধ্যমে গণঅভ্যুত্থান বাংলাদেশের সাবেক স্বৈরাচার ও ফ্যাসিস্ট প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পালিয়ে ভারতে চলে যায়। ভারতে গিয়েও তার ষড়যন্ত্র থেমে নেই। একের পর এক ষড়যন্ত্র চালিয়েই