1. admin@newsbayanno24.com : admin :
  2. mdrockykhan1996@gmail.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : নিজস্ব প্রতিবেদক
বৃহস্পতিবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০২২, ০১:০১ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ফুটবল বিশ্বকাপে রেকর্ডের আতুড়ঘর ব্রাজিলের নতুন রেকর্ড লৌহজংয়ে শহিদুল ইসলাম বেপরী স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টে ফাইনালে হলদিয়া লিটল স্টার ১-০ গোলে জয়ী লৌহজংয়ে জামে মসজিদ কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে হামলা আহত-৬ একনজরে ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপ কাতার ২০২২ এর ফিক্সচার মারাত্মক ইনজুরির কারণে গ্রুপ পর্বের খেলা থেকে ছিটকে গেলেন নেইমার সার্বিয়ার বিপক্ষে ব্রাজিলের ২-০ গোলের জয় ফুটবল বিশ্বকাপে ১ম ম্যাচে গোল করে ২য় সর্বকনিষ্ঠ গোলদাতা হলেন স্পেনের গ্যাভি কোস্টারিকাকে গোল বন্যায় ভাসালেন স্পেন জার্মানিকে ২-১ গোলে উড়িয়ে দিলো এশিয়া পরাশক্তি জাপান অস্ট্রেলিয়াকে ৪-১ গোলে বিধ্বস্ত করলো পরাশক্তি ফ্রান্স

ফিফা বিশ্বকাপ উদ্বোধনীতে কাতারের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত দেহের নিম্নাংশ বিহীন যুবক “গনিম-আল-মুফতা”

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ২২ নভেম্বর, ২০২২
  • ৩৪ বার পঠিত

কাতারে শরীরের নিম্নাংশ বিহীন যুবক সবচেয়ে প্রতিষ্ঠিত এবং বিখ্যাত একজন ব্যক্তি হচ্ছেন গনিম-আল-মুফতাহ্। কেননা তার হাত ধরেই বেজে উঠলো ফিফা বিশ্বকাপের দামামা। ২০২২ সালের বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ ফুটবলের আসরের উদ্বোধন করলেন গনিম-আল-মুফতাহ্।
আল বাইয়াত ষ্টেডিয়ামের এই অনুষ্ঠান উপভোগ করলো গোটা বিশ্বের ফুটবল প্রেমী মানুষ।।

গনিম-আল-মুফতাহ্ এর শরীরের নিচের অংশ নেই। জন্মের আগেই দুটো পা হারিয়ে ফেলেন। “কোডাল রিগ্রেশন সিনড্রোম” রোগে আক্রান্ত গনিমের শরীরের নিম্নাংশ না থাকা সত্বেও তিনি গোটা কাতার তথা আরব দুনিয়ার একজন রোল মডেল। আরবের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে রয়েছে তাঁর ভক্ত ও সমর্থকবৃন্দ।

তিনি একজন বিশ্ববিখ্যাত মোটিভেশনাল স্পীকার। তাঁর বক্তব্যের মাধ্যমে উজ্জীবিত বর্ণময় হয়ে ওঠে হাজার বর্ণহীন জীবন।

গনিম যখন মাতৃগর্ভে রয়েছেন তখনই আলট্রা-সাউন্ড মেশিনে ধরা পড়ে তাঁর শরীরের অবিকশিত অংশ। ডাক্তার গর্ভপাতের সিদ্ধান্ত দেন, কারণ অপূর্ণাঙ্গ সন্তানের জন্ম দেওয়ার চেয়ে তাকে জঠরে হত্যা করে দেওয়া শ্রেয়।

গনিমের মাতা-পিতা এই সিন্ধান্ত মেনে নিতে পারলেন না। কারণ ইসলামের বিধান অনুযায়ী গর্ভপাত হলো চূড়ান্ত অপরাধ।

মাতা “ইমান-উল-আবদেলি” এবং পিতা “মুহাম্মদ-আল-মুফতাহ্” এটাকে মহান আল্লাহর সিন্ধান্ত হিসেবে মেনে নিয়ে বিকলাঙ্গ সন্তানের জন্ম দিলেন। মাতা পিতার উদ্দেশ্যে বলেন – “আমি হবো সন্তানের বাম পা, আর তুমি হবে তার ডান পা। আমরা দুজনে সন্তানকে কখনো নিম্নাংশের অভাব টের পেতে দেবো না।”

৫-ই মে ২০০২ সালে পৃথিবীর আলো দেখেন গনিম। শিশুকাল থেকেই পদে পদে সামাজিক বঞ্চনার শিকার হয়ে পড়েন তিনি। স্কুল,খেলার মাঠ সহ বিভিন্ন জায়গায় তাঁকে অপমানিত করা হতো। তিনি এসবের তোয়াক্কা না করেই এগিয়ে যেতেন নিজ পথে,একেবারে নিজস্ব ছন্দে। বন্ধুদের বোঝাতেন – তাঁর অসম্পূর্ণ শরীরের জন্য তিনি মোটেও দোষী নন। আল্লাহ তাঁকে যে পরিমাণ অঙ্গ-প্রতঙ্গ প্রদান করে পাঠিয়েছেন এর জন্য তিনি কৃতজ্ঞ।

নিজের সহপাঠী বন্ধুবান্ধব-কে এসব বোঝাতে বোঝাতে নিজের অজান্তেই তিনি হয়ে ওঠেন একজন মোটিভেশনাল স্পীকার।

একদিন যাঁর ভুমিষ্ট হওয়া নিয়েই যথেষ্ট সন্দেহ ছিলো তাঁর হাতে উদ্বোধন হতে চলেছে বিশ্বের সবচেয়ে বিখ্যাত এক প্রতিযোগিতার আসর।

কাতারের ২০ বছর বয়সী বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন যুবক আজ সেদেশের শান্তির দূত হিসাবে গোটা বিশ্ব দরবারে পৌঁছে গেছেন।। এছাড়া তিনি একজন মোটিভেশনাল স্পীকার, কবি, সাহিত্যিক,দারুণ বক্তা হিসাবে আরব দুনিয়া তথা গোটা বিশ্বের কাছে সমাদৃত। তিনি কাতার সরকারের প্রধান প্রতিনিধি হিসাবে বিশ্বের দরবারে নিজের পরিচিতি তুলে ধরলেন। সেসাথে কাতার একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২১ নিউজ বায়ান্ন ২৪
Theme Customized BY LatestNews